তদন্তে নয়া মোড়? সাত ঘণ্টা পর থানা থেকে বের হলেন রিয়া

0 0
Read Time:3 Minute, 58 Second

দ্যা ডেইলি নিউজ / ID/18 06 2020/TDNB/000100

প্রায় সাত ঘন্টা টানা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে বান্দ্রা থানা থেকে বের হলেন সুশান্ত সিংহ রাজপুতের ‘প্রেমিকা’ রিয়া চক্রবর্তী। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ রিয়াকে বান্দ্রা থানায় ডেকে পাঠায় মুম্বই পুলিশ।

সাদা পোশাক, অবিন্যস্ত চুল, মুখে মাস্ক পরে বৃহস্পতিবার সকালেই রিয়া সেখানে পৌঁছতেই ক্যামেরাবন্দি হন। অন্যদিকে গতকালই অভিনেতার ঘনিষ্ঠ বন্ধু পরিচালক মুকেশ ছাবড়াকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।  পুলিশকে মুকেশ জানান, প্রথম থেকেই সুশান্ত অন্তর্মুখী স্বভাবের ছিলেন। যদিও প্রযোজনা সংস্থাগুলির সঙ্গে তাঁর কোনও ঝামেলা চলছিল কিনা সে ব্যাপারে মুকেশকে সুশান্ত কিছু জানাননি বলেই দাবি করেছেন পরিচালক। 

এ দিকে সুশান্তের মৃত্যুর দিনই পুলিশ জানিয়েছিল, সুশান্ত ঘনিষ্ঠ প্রত্যেককেই থানায় ডেকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেই মতোই মঙ্গলবার প্রথমে সুশান্তের বাবা এবং পরে দু’ই দিদিকে থানায় ডাকা হয়। সুশান্তের বাবা কেকে সিংহ জানান, “ছেলেকে অনেক সময়েই মনমরা, বিষণ্ণ দেখতাম। ডিপ্রেশনে ভুগত, জানতামই না!”

রিয়া এবং পরিবারের পাশাপাশি পরিবারের পাশাপাশি মুম্বই পুলিশ লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সুশান্তের আর এক কাছের বন্ধু ‘পবিত্র রিশতা’ খ্যাত মহেশ শেট্টিকেও। তাঁর থেকেই প্রথম সবাই জানতে পারেন, অবসাদে ভুগছিলেন অভিনেতা। নিয়মিত ওষুধ নিতে হত। শেষের কিছুদিন সেই ওষুধও বন্ধ করে দেন তিনি। একপ্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সুশান্তের ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানিকেও। অভিনেতার আর্থিক অবস্থা, কাজকর্ম, বলিউডে তাঁর অবস্থান সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে। আগামী দিনেও আবারও তাঁকে জেরা করা হতে পারে, এমনটাই খবর।

গত ১৪ জুন, ভোর সাড়ে ছ’টায় ঘুম থেকে উঠেছিলেন সুশান্ত। এর পর সকাল সাড়ে নয়টা নাগাদ জুস খেয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। এর পর হাজার বার দরজায় কড়া নাড়া সত্ত্বেও সাড়া পাওয়া যায়নি তাঁর। সাড়া না পেয়ে ফিরে যান পরিচারক। আবার আসেন দুপুরের খাবার নিয়ে। তখনও একই ঘটনা। এবার কু-ডাক ডেকে ওঠে পরিচারকের মনে। বার বার দরজা ধাক্কানোর পরেও অভিনেতা সাড়া না দেওয়ায় তিনি ফোন করেন সুশান্তের দিদিকে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। এর পরেই লক ভাঙার মিস্ত্রী ডেকে খোলা হয় সুশান্তের ঘরের দরজা। দরজার ওপারে তখন সিলিং থেকে ঝুলছে সুশান্তের দেহ! 
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %